চীনে করোনাভাইরাসের টিকার অনুমোদন

চীনের সামরিক বাহিনীতে করোনাভাইরাসের একটি টিকার পরীক্ষামূলক ব্যবহারের জন্য অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ভ্যাকসিনটির নাম এডি৫-এনকোভ।

সারা বিশ্বে এরকম দেড়শোটি টিকা নিয়ে পরীক্ষা চলছে যাতে দেখা হচ্ছে এটি মানুষকে করোনাভাইরাস থেকে রক্ষা করতে পারে কীনা।

স্যানসিনো বায়োলজিক্স এবং অ্যাকাডেমি অফ মিলিটারি মেডিকেল সায়েন্সের বেইজিং ইন্সটিটিউট অফ বায়োটেকনোলজি যৌথভাবে এই টিকাটি তৈরি করেছে। মানুষের শরীরে এই টিকাটিই প্রথম পরীক্ষামূলকভাবে দেওয়া হয়েছে।

১০৮ জন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির ওপর পরিচালিত গবেষণায় দেখা গেছে টিকাটি নিরাপদ এবং মানুষের শরীরে ভাইরাসটি মোকাবেলায় সাড়া দিতে পারে। তবে এটি এখনও পরিস্কার নয় যে করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে মানুষের শরীরে এটি কোনো প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলতে পারে কীনা।

ধারণা করা হচ্ছে, সামরিক বাহিনীর লোকজনদের এই টিকা দেওয়া হলে বিজ্ঞানীরা অনেক প্রশ্নের উত্তর পেতে পারেন। বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহারের জন্য এখনও কোনো টিকা অনুমোদন পায়নি।

স্যানসিনো বলেছে, চীনের সেন্ট্রাল মিলিটারি কমিশন গত ২৫ জুন এডি৫-এনকোভ ভ্যাকসিনটি সৈন্যদের দেহে এক বছরের জন্য প্রয়োগের অনুমোদন দিয়েছে। স্যানসিনো বায়োলজিকস এবং একাডেমি অব মিলিটারি সায়েন্সের (এএমসি) একটি গবেষণা ইনস্টিটিউট যৌথভাবে ভ্যাকসিনটি তৈরি করেছে।

ভ্যাকসিনটির সামরিক ব্যবহারে চায়না সেন্ট্রাল মিলিটারি কমিশন বিভাগের অনুমোদনের ব্যাপারে স্যানসিনো বলছে, বর্তমানে এডি৫-এনকোভ ভ্যাকসিনটি শুধু সামরিক বাহিনীর মধ্যে ব্যবহার সীমাবদ্ধ থাকবে। লজিস্টিকস সাপোর্ট ডিপার্টমেন্টের অনুমোদন ছাড়া বৃহৎ পরিসরে টিকাপ্রদানের কার্যক্রম সম্প্রসারিত করা যাবে না।

এদিকে চীনে আবারো কড়া একটি লকডাউন দেয়া হয়েছে। এখন পর্যন্ত লকডাউন করা লোকের সংখ্যা চার লাখ বলে জানা গেছে। তবে সংক্রমণ বিশ্বের অন্য অনেক দেশের তুলনায় কম। হেবেই প্রদেশের অ্যানজিনে এই লকডাউন দেয়া হয়েছে। এটি বেইজিংয়ের খুব কাছে। গত বছরের শেষদিকে চীনে করোনাভাইরাস সংক্রমণ শুরু হয়। দ্বিতীয় ধাক্কা সামলাতে এখন ব্যবস্থা নিচ্ছে চীন।