বিশ্বের দশ নিষিদ্ধ সিনেমা

এ পর্যন্ত সারা বিশে^ হাজার হাজার সিনেমা তৈরি হয়েছে এবং হচ্ছে। এর কোনোটা ঐতিহাসিক, কোনোটা সত্য কাহিনী নির্ভর, কোনোটা প্রেম রোমান্সে ভরপুর আবার কোনোটা জৈবিক সুরসুরিতে এগিয়ে। বিভিন্ন কারণে বিশে^র অনেক সিনেমা নিষিদ্ধ হয়েছে। সেই ছবি নিয়ে হয়েছে বিক্ষোভ, আন্দোলন, মিছিল।

০১. ক্লক ওয়ার্ক অরেঞ্জ
স্ট্যানলি কুবরিকের এই সিনেমা গ্রেট ব্রিটেনে ২৭ বছর ধরে নিষিদ্ধ ছিল। অত্যধিক মারামারি, পাশবিক ধর্ষণের দৃশ্য থাকায় এই সিনেমাকে কিছুতেই গ্রেট ব্রিটেনে দেখানোর অনুমতি দেয়া হয়নি।

০২. দ্য বার্থ অফ এ নেশন
কিন্তু কৃষ্ণাঙ্গ মানুষদের আক্রমণের কাহিনী নিয়ে তৈরি করায় মুক্তির পর পরই নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়। ছবির পরিচালক পরে স্বীকার করে নেন তার ভুল হয়েছিল।

০৩. দ্য টিন ড্রাম
অস্কারে বিদেশি সিনেমা বিভাগে সেরা পুরস্কার জেতে এই সিনেমা। সিনেমায় দেখানো হয় ১১ বছরের এক বালক ১৬ বছরের এক তরুণীর সঙ্গে সেক্স করছে। এই জন্য কানাডা ও ফিলাডেলফিয়াতে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয় ছবিটি।

০৪. থ্রি হানড্রেড
যুদ্ধের ওপর তৈরি হওয়া হলিউডের অন্যতম সেরা এই ছবি নিষিদ্ধ ইরান ও মধ্যপ্রাচ্য, আরবের কিছু দেশে। ইরান বলেছে, থ্রি হানড্রেড তাদের দেশকে অপমান করতে মার্কিনীদের একটা চক্রান্ত।

০৫. অল কোয়াইট অন দ্য ওয়েস্টার্ন ফ্রন্ট
জার্মানি ও অস্ট্রিয়ায় ১২ বছর ধরে নিষিদ্ধ ছিল এই সিনেমা। ছবিটি হিটলারের বিরুদ্ধে যুদ্ধের ওপর তৈরি।

০৬. সালো
পাওলো পাসোলিনির এই সিনেমা ইরান, সিঙ্গাপুর সহ পাঁচটি দেশে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়। শিশুদের ওপর অত্যাচার, ধর্ষণের দৃশ্যগুলি থাকায় বিভিন্ন দেশে এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানানো হয়।

০৭. দ্য সিম্পসন মুভি
বার্মায় এক অদ্ভুত কারণে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয় এই সিনেমাকে। তাদের অভিযোগ সিনেমায় হলুদ রঙকে প্রচার করা হয়েছে। হলুদ রঙ বার্মা সংস্কৃতির জন্য অপমাণকর।

০৮. ব্যাক টু দ্য ফিউচার ট্রিলজি
চিনে এই ছবি নিষিদ্ধ। কারণ ছবিরে অনেক দৃশ্যে বর্তমান সময় থেকে ভবিষ্যতে যাওয়া হয়েছে। যা নাকি চিনের সরকারের নিয়ম বিরুদ্ধ। একইসঙ্গে ছবিকে কুসংস্কারে ইন্ধন দেওয়ার অভিযোগ জানানো হয়েছে।

০৯. দ্য লাস্ট ট্যাঙ্গো ইন প্যারিস
ছবিটি ইতালি ও স্পেনে নিষিদ্ধ। সিনেমার একটি দৃশ্যে দেখানো হয়েছে নায়ক সেক্সের সময় মাখন ব্যবহার করছেন। খাবার জিনিসকে এভাবে দেখানোটা আপত্তিকর হওয়ায় তারা ছবিটি নিষিদ্ধ করে।

১০. ক্যানিবাল হলোকাস্ট
বিশ্বের ৪০টি দেশে নিষিদ্ধ। যেখানে ক্যানিবালিজম, গণহত্যা, ধর্ষণ, যৌন নির্যাতনকে অতি জঘন্যভাবে দেখানো হয়েছে। ছবির পরিচালকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে অভিনেতা, অভিনেত্রীদেরও নাকি সিনেমার সময় খুন করা হয়। অবশ্য সেটা প্রমাণিত হয়নি।
আজকেরব বাজার : সালি / ১৭ ডিসেম্বর ২০১৭