দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইলি বিমান হামলায় তিন সেনা নিহত হয়েছে বলে জানা গেছে। শনিবার দেশটির সেনাবাহিনী এ তথ্য জানিয়েছে।
এদিকে মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ অবসানের প্রচেষ্টায় এক গুরুত্বপূর্ণ মধ্যস্থতাকারীর সঙ্গে বৈঠকের জন্য লেবাননের সেনাপ্রধান পাকিস্তান সফরে রয়েছেন।
খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
ইসরাইল বলছে, তারা ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহকে নির্মূল করতে লেবাননে অভিযান চালাচ্ছে। হিজবুল্লাহ ইরানের পক্ষে হামলা চালিয়ে মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতে লেবাননকে জড়িয়ে ফেলেছে।
দুপক্ষের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কখনোই বাস্তবায়িত হয়নি। গত এপ্রিলে এই যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার কথা ছিল। চলতি সপ্তাহে ওয়াশিংটনে লেবানন-ইসরাইল আলোচনার পর ঘোষিত নতুন শর্তসাপেক্ষ যুদ্ধবিরতিও কয়েক ঘণ্টার মধ্যে হিজবুল্লাহ সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে।
লেবানন পর্যায়ক্রমে হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্র করার অঙ্গীকার করেছে। তবে একই সঙ্গে ইসরাইলের আগ্রাসনেরও নিন্দা জানিয়েছে দেশটি।
সর্বশেষ ঘটনায় লেবাননের সেনাবাহিনী জানায়, খারদালি ও নাবাতিয়েহ এলাকার মাঝের সড়কে একটি সামরিক যানে ইসরাইলের হামলায় দুই কর্মকর্তা ও এক সেনা নিহত হয়।
ইসরাইলি সেনাবাহিনী বলেছে, লক্ষ্যবস্তু গাড়িটি ‘সন্দেহজনকভাবে চলছিল’ ও সেটি এমন একটি ‘সক্রিয় যুদ্ধক্ষেত্রে’ ছিল, যেখানে অভিযান শুরুর আগে তারা ওই এলাকা খালি করার নির্দেশ দিয়েছিল।
তবে তারা দাবি করেছে, তাদের অভিযান হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে, লেবাননের সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে নয় এবং এই ঘটনাটিকে তারা পর্যালোচনা করছে।
হিজবুল্লাহ এই হামলাকে ‘জঘন্য অপরাধ’ আখ্যা দিয়ে বলেছে, ওয়াশিংটনে শত্রুপক্ষের শর্ত মেনে নিয়ে লেবানন সরকার দেশটিকে রক্তপাতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
লেবাননে অবস্থানরত জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনী বলেছে, এ ধরনের হামলা লেবাননের সার্বভৌমত্বের ‘গুরুতর লঙ্ঘন’।
লেবাননের সেনাবাহিনী বলেছে, ইসরাইলের ‘ইচ্ছাকৃত ও বারবার চালানো নৃশংস আগ্রাসন’ সব ধরনের সমাধান প্রচেষ্টাকে বাধাগ্রস্ত করছে।