
আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনর্বহাল, সেনাবাহিনী নিয়োগ, নির্বাচনে লেভেল প্লেইং ফিল্ড তৈরিসহ নির্বাচন কমিশনকে ১১ দফা প্রস্তাব দিয়েছে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ।
২১ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার সকালে দলটির মহাসচিব মাওলানা নূর হোছাইন কাসেমীর নেতৃত্বে ১২ সদস্যের এক প্রতিনিধি দল নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সংলাপ করে। সংলাপ শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান দলটির মহাসচিব কাসেমী।
আগারগাঁও নির্বাচন কমিশনের ভবনে বেলা ১১টায় সংলাপ শুরু হয়। প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী চলা সংলাপে সভাপতিত্ব করেন প্রধান নির্বাচন কমিশন কে এম নূরুল হুদা।
জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের পক্ষ থেকে বলা হয়, দলীয় সরকারের অধীনে অতীতের নির্বাচনে কারচুপি ও পেশীশক্তির ব্যবহার অভিযোগ উঠেছে। আর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি পেয়েছে। তাই আমরা তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনর্বহাল করতে নির্বাচন কমিশনকে উদ্যোগ গ্রহণের অনুরোধ করেছি।
দলটির অন্যান্য দাবিগুলো হলো- নির্বাচনের এক বছর আগে থেকেই রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য অবাধ ও সভা-সমাবেশ ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার পরিবেশ তৈরিতে ইসির উদ্যোগ নেয়া; ভোটার তালিকা হালনাগাদ করে অবৈধ ভোটার থাকলে তা বাদ দেয়া; অবৈধ ও কালো টাকার মালিকরা নির্বাচনে যেন অংশ নিতে না পারে সে ব্যবস্থা করা; নিরপেক্ষ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা; এক বছর আগে সকল সংস্থা ও কর্মীদের নাম পরিচয় নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে ও গণমাধ্যমে প্রকাশ করা; সুষ্ঠু ভোটের স্বার্থে সেনাবাহিনী নিয়োগ; স্বতন্ত্র প্রর্থীদের নির্বাচনে অংশগ্রহণে উৎসাহিত করতে ভোটারদের সমর্থনসূচক স্বাক্ষর নমিনেশন পেপারের সঙ্গে জমা দেয়ার বাধ্যবাধকতার আইনটি বিলুপ্ত করা; নির্বাচন কমিশনকে নিরপেক্ষভাবে কাজ করা; প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করা; মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া ও নির্বাচনের তারিখের মধ্যে অন্তত ৪০ দিন সময় রাখা।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে কাসেমী বলেন, যেসব বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের এখতিয়ার নেই সেষব বিষয়ে সরকারকে জানাবে বলে আমাদের বলেছে সিইসি।
আজকের বাজার : এলকে/এলকে ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৭