প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্বাক্ষরিত ইরান শান্তি চুক্তির আওতায় হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচলে কোনো টোল দিতে হবে না। এছাড়া ইরানকে কোনো অর্থনৈতিক সুবিধা দেওয়ার আগে তেহরানকে চুক্তির সব প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে হবে বলেও ওয়াশিংটন স্পষ্ট করেছে।
খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
মার্কিন প্রশাসনের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা সাংবাদিকদের জানান, যুদ্ধবিধ্বস্ত ইরানের পুনর্গঠনের জন্য সম্ভাব্য ৩০০ বিলিয়ন ডলারের একটি তহবিল গঠনের প্রস্তাবও রয়েছে। তবে এই অর্থ ছাড় করা হবে ইরানের চুক্তি বাস্তবায়নের অগ্রগতির ওপর ভিত্তি করে।
রোববার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ও ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ ইলেকট্রনিকভাবে একটি সমঝোতা স্মারকে (এমওইউ) স্বাক্ষর করেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, ‘শান্তি প্রক্রিয়ার প্রতি নিজের অঙ্গীকারের বার্তা দিতেই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিজে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন।’
তবে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেন, চুক্তিটি অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত এবং এতে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির মতো জটিল বিষয়গুলো পরবর্তী আলোচনার জন্য রেখে দেওয়া হয়েছে।
সিএনএনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ভ্যান্স বলেন, ‘সমঝোতা স্মারকটি মাত্র দেড় পৃষ্ঠার একটি সাধারণ নথি বা দলিল।’
পরে এনবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ভ্যান্স বলেন, ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত ধ্বংসে সহায়তা করার জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও আন্তর্জাতিক পারমাণবিক পরিদর্শকদের আবারও ইরানে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে।
ভ্যান্সের নেতৃত্ব চুক্তির বিভিন্ন বিষয় চূড়ান্ত করতে এ সপ্তাহে বিশেষজ্ঞ পর্যায়ের আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে এবং সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকা আনুষ্ঠানিক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন তিনি।




