জেলার বটিয়াঘাটা উপজেলার জলমা ইউনিয়নের তেঁতুলতলা ও জলমা-কচুবুনিয়া এলাকায় শহর রক্ষা বেড়িবাঁধ চরম হুমকির মুখে পড়েছে। কাজীবাছা নদীর স্রোতের তোড়ে যেকোনা মুহূর্তে ভেঙ্গে গিয়ে প্লাবিত হতে পারে জলমা ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা।
এদিকে, খবর পেয়ে সংসদ স দস্য আমীর এজাজ খান ও খুলনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা গত রোববার রাত সাড়ে ৮টায় ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের ভাঙ্গন রোধে বিকল্প ভেড়িবাঁধ নির্মাণের নির্দেশনা প্রদান করেন এমপি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার জলমা ইউনিয়নের তেঁতুলতলা ও জলমা-কচুবুনিয়া সংলগ্ন এলাকার ভাঙ্গন রোধে স্থায়ী সমাধানকল্পে পানি উন্নয়ন বোর্ড বড় ধরনের কোন পদক্ষেপ না নেয়ায় নদী ভাঙ্গন লেগেই রয়েছে। যার ফলে জলমা ইউনিয়নের জলমা মৌজার হাজার হাজার একর জমি, জলমা-কচুবুনিয়া গ্রামের শত শত ঘরবাড়ি কাজীবাছা নদীর স্রোতের তোড়ে ভাঙনে সম্পূর্ণ নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। কিন্তু বিগত সরকারের আমলে স্থায়ী সমাধানে কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। বিগত সরকারের আমলে স্থানীয় সংসদ সদস্যদের এ অঞ্চলের সাধারণ মানুষ নদী ভাঙন রোধে বিভিন্ন সময় স্থায়ী কাজ করার দাবি উত্থাপিত করলেও তা কোনদিন আলোর মুখ দেখেনি। যে কারণে কয়েক মাস পর পর উক্ত স্থানে নদী ভাঙন লেগে রয়েছে। চলতি বর্ষা মৌসুমে নদী ভাঙ্গন আরো মারাত্মক আকার ধারণ করার আশঙ্কা রয়েছে।
স্থানীয় সংসদ সদস্য আমীর এজাজ খান পরিদর্শনে এসে ভাঙন রোধে স্থায়ী সমাধানকল্পে পানি উন্নয়ন বোর্ডকে বিকল্প ভেড়িবাঁধ নির্মাণের নির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি বলেন, বর্ষা মৌসুমে নদী ভাঙ্গন হলে মানুষের ঘরবাড়িসহ ফসলের অনেক ক্ষতি হয়। এ কারণে বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব সহকারে দেখা হবে। ইতোমধ্যেই ভাঙ্গন রোধে পদক্ষেপ গ্রহণ করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।




