প্রাথমিকের ৩২ হাজার প্রধান শিক্ষক নিয়োগের জটিলতা নিরসন

অধিগ্রহণ করা বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক (চাকরির শর্তাদি) বিধির অংশবিশেষকে অবৈধ ঘোষণা করে, হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের করা আপিল মঞ্জুর করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।

আজকের এই রায়ের ফলে, সারা দেশে ৩২ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নিয়োগের জটিলতা নিরসন হলো বলে জানান অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল।

অধিগ্রহণ করা বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক বিধিমালার জ্যেষ্ঠতা ও পদোন্নতি সংক্রান্ত ৯(১) বিধির অংশবিশেষ চ্যালেঞ্জ করে, ২০১৭ সালে রিট করেন বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে জাতীয়করণ করা বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা।

সেই রিটের শুনানি শেষে, হাইকোর্ট রুল জারির পর ২০১৯ সালের ১১ মার্চ রায় দেন।

সেই রায়ে ওই বিধির অংশবিশেষ সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ঘোষণা করা হয়। তবে এই রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন) করেন।

পরবর্তীতে সেই লিভ টু আপিল মঞ্জুরের পাশাপাশি হাইকোর্টের রায়ের কার্যকারিতা স্থগিত করা হয়।

এক পর্যায়ে ২০২৩ সালে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল করে।

অন্যদিকে সরকারি প্রাথমিকে সরাসরি নিয়োগ পাওয়া শিক্ষকরা আপিল বিভাগে আবেদন করেন।

প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন চার বিচারপতির আপিল বিভাগ রাষ্ট্রপক্ষের আপিল মঞ্জুর আজ রায় দেন।

আদালতে আপিলকারী পক্ষে শুনানিতে ছিলেন— অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল, অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনীক আর হক ও আইনজীবী মুনতাসির উদ্দিন আহমেদ।

অন্যদিকে রিট আবেদনকারীদের পক্ষে ছিলেন— সিনিয়র আইনজীবী সালাহ উদ্দিন দোলন ও মো. মিফতাহ উদ্দিন চৌধুরী। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের পক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী রমজান আলী শিকদার।